.:কিংবদন্তী গায়ক জন ডেনভার.....

 

 
Welcome to the VinnoKhoobor, the another different poroject of BLACK i''z. We wish you a very warm and bright day. It is our pleasure to see you in our website.

 


BACK TO PAST
ইংরেজি গান শোনেন অথচ কান্ট্রি রোডস গানটি শোনেননি এমন শ্রোতা বোধহয় খুঁজে পাওয়া দুস্কর। সর্বাধিক জনপ্রিয় এই কান্ট্রি সংটির গায়ক জন ডেনভারকেও চেনেন কমবেশি প্রায় সকল সঙ্গীতপ্রেমী। জন ডেনভারের পুরো নাম হেনরি জন ডাসচেনডোরফ। ১৯৪৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর নিউমেক্সিকোর রোজওয়েলে জন্ম তার। বাবা ছিলেন বিমান বাহিনীর পাইলট। আর মা ছিলেন একজন সাধারণ জার্মান-আইরিশ ক্যাথলিক গৃহিণী। ডেনভারের গানের জগতে আসা তার মা’র অনুপ্রেরণাতেই। বাবার সৌহার্দ্যতা তেমন একটা না পেলেও তার গাওয়া গানে মা এবং আজন্ম শৈশবের ছবিই বারবার ফুটে উঠেছে। একজন গায়ক হিসেবে ডেনভারের দুনিয়াজোড়া খ্যাতি হলেও তিনি ছিলেন একাধারে কবি, অভিনেতা, ফটোগ্রাফার, গীতিকার এবং শখের বৈমানিক।
বাবার কাজের সূত্রে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে হয়েছে জনকে। বাবার সেনাবাহিনীতে চাকুরির কারণে কোন জায়গাতেই খুব বেশিদিন থিতু হয়ে থাকতে পারেনি ডেনভারের পরিবার। তাই শৈশবে খুব বেশি বন্ধুও গড়ে ওঠেনি তার। এক জায়গা থেকে নতুন আরেকটি জায়গা এভাবেই ছুটে চলা ডেনভারের শৈশব। জন ১২ বছর বয়সে গিবসন ব্র্যান্ডের একটি অ্যাকুয়েস্টিক গিটার উপহার পান দাদীর কাছ থেকে। এরপর থেকে শুধু গিটারের সঙ্গেই সখ্যতা তার। বিভিন্ন লোকাল ক্লাবে তখন থেকেই পারর্ফম শুরু করেন তিনি। জন কোলোরাডোতে থাকাকালীন সময়ে এক বন্ধুর পরামর্শে তার নামের বিদঘুটে ‘ডাসচেনডোরফ’ অংশটুকু ছেটে ফেলে ডেনভার পদবীটি যুক্ত করেন।
টেক্সাস টেকনোলজিক্যাল কলেজে পড়াকালীন সময়ে জন ফোক মিউজিক্যাল ব্যান্ড ‘দ্যা আলপাইন ট্রায়ও’-র সাথে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৬৩ সালে স্থাপত্য শিক্ষায় ইস্তফা দিয়ে ডেনভার পাড়ি জমান লস এঞ্জেলস ও ক্যালিফোনিয়ায়। ১৯৬৫ সালে জন যোগ দেন ফোক ব্যন্ডদল ‘চ্যাড মিশেল ট্রায়ও’-তে। পরবর্তীতে এই ব্যান্ডের নামকরণ করা হয় ‘দি মিশেল ট্রায়ও’।

 

- - - - - - -john-denver

 

১৯৬৯ সালে ডেনভার ব্যান্ড ছেড়ে তার সলো ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী হয়। এসময় আরসিএ রেকর্ডস থেকে তার প্রথম একক অ্যালবাম ‘রাইমস এন্ড রিজনস’ রিলিজ করেন। এরপর জন বিভন্ন কনসার্টে তার গাওয়া গানগুলোকে নিয়ে নিজেই একটি ডেমো অ্যালবাম রেকর্ডিংয়ের কাজে হাত দেন। এই ডেমো রেকর্ডে ডেনভার “বেবি আই হেট টু গো” গানটি সংযুক্ত করেন, যা পরবর্তীতে ‘লিভিং অন অ্যা জেট প্লেন’ টাইটেলে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে। এরপর ক্রিসমাসে ডেমো অ্যালবামের অনেকগুলো কপি করে পরিচিতজনদের মাঝে উপহার হিসেবে বিলি করেন। চমৎকার কাজ করে তার অ্যালবাম বিলির কাজটি। ‘দি মিশেল ট্রায়ও’ ব্যান্ড ম্যানাজার মিল্ট ওকুন ডেনভারের “বেবি আই হেট টু গো” গানটিকে নিয়ে যান তৎকালীন সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফোক গ্রুপ পিটার,পল এন্ড মেরি-র কাছে। তারা গানটির নতুন একটি ভার্সন তৈরি করেন। গানটির নামকরণ করা হয় ‘লিভিং অন অ্যা জেট প্লেন’। বিলবোর্ড হটলিস্ট চার্টে স্থান করে নেয় ডেনভারের গানটি।
এরপর ডেনভারকে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। মূলত ‘আরসিএ’ রেকর্ডস তার অ্যালবাম ‘রাইমস এন্ড রিজনস’-এর সঠিকভাবে প্রচারণা না চালানোর কারণে হালে পানি পায়নি অ্যালবামটি। নিজ আ্যালবামের প্রচারণা চালাতে এ সময় তাকে ফ্রি কনসার্ট, ক্লাব-পাব অথবা কফি শপগুলোতে শো করতে হয়েছে। গিটার হাতে রেডিও স্টেশনগুলোতে নিজের ইন্টারভিউ করার জন্য ধর্ণা দিতে হয়েছে। খুব সময়ই সুযোগ মিলেছে পিক আওয়ারের কেনো রেডিও অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করার। দিনের বাকি সময়টায় নিজের অ্যালবামের পোস্টারিং করতেন ডেনভার নিজেই। এমনকি নিজেই নিজের অ্যালবাম কিনতে শুরু করেন একসময় যাতে রেকর্ডিং প্রতিষ্ঠান আরসিএ তার সঙ্গে অ্যালবাম চুক্তি দীর্ঘায়িত করে।
১৯৭০ সালে তার আরো দুটো অ্যালবাম বেরোয়। ‘টেক মি টুমোরো’ এবং ‘হুজ গার্ডেন ওয়াজ দিস?’। কিন্তু একটিও তেমন একটা সাফলতা না পেলেও সঙ্গীত বোদ্ধাদের মতে ডেনভারের সেরা কাজগুলোর মধ্যে এই দুটি অ্যালবাম উল্লেখযোগ্য। তবে পরের বছর অর্থাৎ ১৯৭১ সালে তার ‘পোয়েমস, প্রেয়ার্স এন্ড প্রমিজেস’ অ্যালবামটি ব্যাপক সাড়া তোলে। বিশেষ করে ‘কান্ট্রি রোডস টেক মি হোম’ গানটি তাকে জনপ্রিয়তার চুড়ান্তে পৌঁছে দেয়। বিলবোর্ড চার্টে গানটি ২ নম্বর স্থান করে নেয়। তার এই সফলতার পেছনে তার নতুন ম্যানাজার জেরি উইনট্রাবের হাত ছিলো অনেকখানি। জেরি উইনট্রাব পরবর্তীতে হলিউডের একজন চলচ্চিত্র প্রযোজক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। এরপর থেকে জনকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।
বলতে গেলে ভাগ্যদেবী এসময় থেকে বেশ সুপ্রসন্নই ছিলেন জনের ওপর। পরবর্তী ৪ বছর পর পর বেশ কয়েকটি এ্যালবাম হিট হয় তার। বিশেষ করে রকি মাউন্টেইন হাই, জন ডেনভারর্স গ্রেটেস্ট হিটস, ব্যাক হোম এগেইন, উইন্ডসং উল্লেখযোগ্য অ্যালবাম। এর মাঝে টপ র্চাটে স্থান করে নেয় সানসাইন অন মাই সোলডারস, এ্যানিস সং, থ্যাঙ্ক গড আই এম কানট্রি বয়, আই অ্যাম সরি গানগুলো।
 
 

album-poems-prayers-promises

জেরি উইনট্রাবের কল্যাণে এরপর বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও টিভি শো করার সুযোগ মিলে ডেনভারের। পরবর্তীতে নিজেই একটি মাসিক টিভি শো চালু করেন। জন ডেনভারের রকি মাউন্টেইন ক্রিসমাস নামের একটি অনুষ্ঠান তুমুল জনপ্রিয়তা পায়। এবিসি নেটওয়ার্কের সে সময়ের সর্বোচ্চ দর্শক জনপ্রিয়তা পেয়েছিলো অনুষ্ঠানটি। ৬০ মিলিয়নেরও বেশি দর্শক অনুষ্ঠানটি প্রত্যক্ষ করেছিলো তখন। ১৯৭৫ সালে ‘এ্যান ইভিনিং উইথ জন ডেনভার’ লাইভ কনসার্টের সুবাদে এ্যামি অ্যাওয়ার্ড জিতে নেন তিনি। তবে এসময় জন ডেনভারের সঙ্গে জেরি উইনট্রাবের সর্ম্পকের অবনতি ঘটে। জেরি উইট্রাবের সঙ্গে ব্যবসায়িক সকল লেনদেন বন্ধ করে দেন জন।
 
শুধু গান নয় অভিনয়েও কম পটু ছিলেন না জন। মাপেট শো তে তিনি অতিথি শিল্পী হিসেবে কাজ করেছেন। ১৯৭৭ সালের দিকে নিজের অভিনয় প্রতিভা জাহিরের চেষ্টায় নামেন তিনি। “ওহ্ গড” সিনেমাতে তাকে দেখা যায়। উপস্থাপনাও করতেন জন। মোট ৫ বার গ্রামি অ্যাওয়ার্ডের হোস্ট হিসেবে কাজ করেছেন। ১৯৭৫ সালে কান্ট্রি মিউজিক অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে ডেনভারকে ‘এন্টারটেইনার অফ দ্যা ইয়ার’ পুরস্কার দেয়া হয়।
উড়তে ভালবাসতেন ডেনভার। ১৯৭০ সালে বাবার কাছ থেকে বিমান চালনা শেখেন তিনি। বিমান চালনা শিখতে গিয়ে পিতা-পুত্রের পুরনো গোলমেলে সম্পর্কের অবসান ঘটে। ১৯৮০ সালে ডেনভার ও তার বাবা লে. কর্ণেল ডাচ একত্রে একটি টিভি শোতে অংশ নেন। অনুষ্ঠানটি ‘অসবর্ন’ অ্যাওয়ার্ড জিতে নেয় এবং হিউস্টন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে বিশেষ সম্মান লাভ করে।
আকাশ খুব টানতো ডেনভারকে। এ কারণে নাসার ব্যাপারে বেশ আগ্রহী ছিলেন। মহাকাশ অনুসন্ধান বিষয়ক কার্যক্রম সর্ম্পকে সাধারণ মানুষকে জানাতে ব্যাপক কাজ করেন তিনি। এরই ফলশ্রুতিতে ১৯৮৫ সালে তাকে বিশেষ সম্মান প্রদর্শন করে নাসা পাবলিক সার্ভিস পদক প্রাদান করে। ১৯৮৬ সালে নাসার ফার্স্ট সিটিজেন ট্রিপে নির্বাচিত না হওয়ায় স্পেস শাটলে ভ্রমণের ইচ্ছেটা অপূর্ণই রয়ে যায় ডেনভারের। স্পেস শাটল চ্যালেঞ্জার দুর্ঘটনায় নিহত নভোচারী ক্রিস্টা ম্যাকোলিফে ও সকল মহাকাশ বিজ্ঞানীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ডেনভার ‘ফ্লাইং কর মি’ গানটি উৎসর্গ করেন।
মানবতার জন্য কাজ করেছেন ডেনভার মৃত্যুর আগমুহূর্ত পর্যন্ত। ১৯৭৭ সালে ওয়েরনার এরহার্ড ও রবার্ট ফুলারের সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রতিষ্ঠা করেন ‘দ্যা হাঙ্গার প্রজেক্ট’। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের অনুরোধে প্রেসিডেন্টে কমিশনের থিম সং ‘আই ওয়ান্ট টু লিভ’ লেখেন তিনি। ১৯৭৯ সালে ইউনিসেফ আয়োজিত একটি কনসার্টে অংশ নেন তিনি। কনসার্ট থেকে পাওয়া সম্মানির পুরোটাই দান করেন ইউনিসেফকে।

 

 denver_large
 
 
রাজনীতিতেও পদচারণা ছিলো জনের। ১৯৭৬ সালে তিনি জিমি কার্টারের পক্ষে প্রচারণা চালান তিনি। ডেমোক্রেটিক দলের সমর্থক ছিলেন তিনি। দলের পক্ষ থেকে গৃহহীন, দরিদ্র এবং আফ্রিকার এইডস আক্রান্ত মানুষের জন্য অনেকগুলো চ্যারিটি শো করেন ডেনভার। ১৯৭৬ সালে তিনি উইন্ডস্টার ফাউন্ডেশন নামের একটি চ্যারিটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। ডেনভার একজন কড়া রাজনৈতিক সমালোচক ছিলেন। তার সমালোচনার মুখে পড়তে হয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান ও তার আমত্যবর্গকে। তবে তার প্রচারণা সবসময়ই অব্যাহত ছিলো দারিদ্র আর ক্ষুধার বিপক্ষে। ১৯৮৫ সালে ওয়ার্ল্ড উইথ আউট হাঙ্গার অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত করা হয় তাকে।
 
এতোকিছুর মাঝেও ডেনভারের কাছে প্রাধাণ্য পেতো তার গান। ১৯৮৩ সালের শেষ দিকে জন ডেনভার সর্বপ্রথম ফোক সঙ্গীতের কিংবদন্তি জোয়ান বায়েজের সাঙ্গে একই মঞ্চে গান করেন। ১৯৮৪ সলে এবিসি স্পোর্টসের অনুরোধে জন সার্জেভোতে অনুষ্ঠিত উইন্টার অলিম্পিকের থিম সং ‘দ্যা গোল্ড এন্ড বিয়োন্ড’ কম্পোজ করেন।
ডেনভারের স্ত্রীর নাম এ্যানি মার্টেল। সেন্ট পিটার মিনিসোটার প্রিন্স চ্যাপেল এলাকার গুসতাভাস এ্যাডোলফাস কলেজে তার সাথে হয় পরিচয় জনের। মজার বিষয় হলো তার বিখ্যাত গান “এ্যানি’স সঙের” মূল চরিত্র এই এ্যানি। ১৯৬৮ থেকে ১৯৭১ তারা মিনিসোটার এডিনাতে থাকেন। টিভি শো ‘রকি মাইন্টেন হাই’-এর সাফল্যের পর ডেনভার একটি বাড়ি কিনে কোলোরাডোতে চলে আসেন এবং এখানেই জীবনের শেষদিন পর্যন্ত ছিলেন। ডেনভার দম্পতি একটি ছেলে এবং একটি মেয়ে দত্তক নেন। ছেলে জ্যাচারি ও মেয়ে এ্যানা কেটকে খুব ভালোবাসতেন জন। সন্তানদের সর্ম্পকে মন্তব্য করতে গিয়ে একটি সাক্ষাৎকারে জন বলেন, ‘আমার মৃত্যুর পর সন্তানদের মনে বাবা হিসাবে বেঁচে থাকতে পারলে আমার আর কিছু চাওয়ার নেই।’ ছেলে জ্যাচারিকে নিয়ে তিনি গানও রচনা করেছিলেন তিনি। ১৯৮২ সালে এ্যানি মার্টেলের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে জনের। এরপর ১৯৮৮ সালে ক্যাসেন্ড্রা ডেলানে নামের এক অস্ট্রেলিয়ান অভিনেত্রীকে বিয়ে করেন তিনি। তাদের একটি কণ্যা সন্তান হয়। জন মেয়ের নাম রাখেন জেসি বেলা। ১৯৯৩ সালে এই সম্পর্কেরও ইতি টানেন তিনি।
ডেনভার ছবি আঁকতেন। এমনকি ছবি তোলাও ছিল তার শখ। ছোটবেলা থেকেই খোলা আকাশটা তার প্রিয়। সঙ্গীতের পরে প্লেনে করে ঘুরে বেড়ানোটা ছিলো তার অন্যতম শখ। দ্রুত কনসর্টে যাওয়ার জন্য একটি জেট প্লেন কিনেন ১৯৭৪ সালে। এছাড়া তার সংগ্রহে থাকা অন্যান্য প্লেনগুলো হলো অ্যারোবেটিক প্লেন ক্রিস্টেন ঈগল, সেসনা ২১০এস, গ্লাইডারস। সর্বশেষ ১৯৯৭ সালে একটি রুটান লং-ই জেড প্লেন কেনেন তিনি। আকাশে ওড়ার ক্ষেত্রে জনের ছিলো ব্যাপক অভিজ্ঞতা। ২৭০০ ঘন্টা সময় আকাশে বিমান উড়ানোর অভিজ্ঞতা ছিলো তার।

John-Denver---Greatest-Country-Hits-Front-Cover-19876

 

....,জনের মৃত্যুটাও হয়েছিলো প্লেন উড়াতে গিয়েই। তার বিখ্যাত গান ‘লিভিং অন অ্যা জেট প্লেন’-এর কথাগুলোই সত্যি হয়েছে শিল্পীর নিজের ক্ষেত্রে। ১৯৯৭ সালের ১২ অক্টোবর জন তার সদ্য কেনা রুটান লং ইজেড প্লেনটি পরীক্ষামূলকভাবে উড়ানোর সময় ক্যালিফোনিয়ার প্রাশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় দুর্ঘটনা কবলিত হয়ে মারা যান। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে প্লেনটি দুর্ঘটনার শিকার হলেও প্রথমে ধারণা করা হয়েছিলো, জন মদ্যপ অবস্থায় বিমান চালাচ্ছিলেন এ কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে। পরে অবশ্য পোস্টমর্টেম রিপোর্ট ও তদন্তসাপেক্ষে যান্ত্রিক ত্রুটির বিষয়টি বেরিয়ে আসে। জনের পরিবার বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে একটি মামলা ঠুকে দেয় আদালতে।

গুণী এই শিল্পীর মৃত্যুতে শোকে বিহবল হয়ে ওঠে পুরো সংগীত বিশ্ব। এই দিন সারা আমেরিকাতে প্রতিটি রাজ্যে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। ২০০০ সালে সিবিত্রস থেকে জনের স্মরণে ‘টেক মি হোম : দ্যা জন ডেনভার’ নামক একটি মুভি নির্মাণ করা হয়। ২০০৭ সালের ১২ মার্চ কলোরাডোর স্টেট অফিশিয়াল সং হিসেবে ডেনভারের ‘রকি মাউন্টেইন হাই’-কে নির্বাচিত করা হয়। পশ্চিম ভার্জিনিয়াতে ‘টেক মি হোম কান্ট্রি রোডস’ গানটিকে স্টেট সং হিসেবে নির্বাচিত করারও প্রস্তাব উঠে।

২০০৭ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর প্রশান্ত মহাসাগরের তীরে উইন্ডস্টার ফাউন্ডেশন বিমান দুর্ঘটনাস্থলে জনের একটি ব্রোঞ্জের প্রতিফলক বসায়। মৃত্যুর দশম বছর উপলক্ষ্যে জনের পারিবার ১৯৮৫ সালে কনসার্টে তার গাওয়া আনরিলিজড কিছু ট্র্যাক নিয়ে সোভিয়েত ইউনিয়নে একটি কনসার্ট করে। সেখানে ‘এ্যানিস সং’ রুশ ভাষায় পরিবেশন করা হয়।
বিশ্বের অন্যতম অ্যাকোয়েস্টিক কান্ট্রি সং শিল্পী ছিলেন জন ডেনভার। গীতিকার, অভিনেতা, মানবপ্রেমী, আলোকচিত্রী, বৈমানিক এতোগুনের মাঝেও জন সবসময়ই পরিচিত ছিলেন সদা হাস্যোজ্জ্বল মানুষ হিসাবে। তার গাওয়া ৩০০ গান আজও মাতিয়ে রেখেছে সারা বিশ্বকে। জনের জন্য আমাদের অনেক অনেক ভালোবাসা।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Welcome to the family of BLACK i''z,...

 

 

একটি Website-ই পারে আপনার প্রতিস্টান, গ্রপ অথবা product লক্ষ, কোটি মানুষের কাছে পরিচিত করে তুলতে। কারন বতমান প্রথিবির শবচেয়ে বড় social network বা communication system হচ্চে online, আর যার মাধ্যমে আপনিও পারেন আপনার প্রতিস্টান, গ্রপ অথবা product-লক্ষ, কোটি মানুষের কাছে পরিচিত করে তুলতে..

 

এখানে সকল পৃস্টা দেখতে পাবেন,..

 

OOur Guest & Visitors of this page!!

 

size=35
BLACK i''z a way to da little friendshop

SSee where from your Friends

Various Album Of B-Eyez...,

VinnoKhobor.., @ FACEbook.,

BBlack i''z wants to see you again..,

BBLACK i''z, it is dream, it is real, BLACK i''z da real dream.,